“I can i i everything else,” Bob said.
“Balls have zero to me to me to me to me to me to me to me to me to,” Alice responded.
কেমন ঠেকছে উপরের বাক্যালাপ গুলো? আপনার জানা প্রচলিত ইংরেজীর মত ঠেকছে কি? একটু কেমন কেমন গন্ধ পাচ্ছেন? হ্যাঁ অন্যরকম তো বটেই। এগুলো এলিস আর ববের কথোপকপন। তার আগে চলুন একটু ফেসবুকের দুনিয়ায় ঘুরে আসি। এলিস আর বব কে পরে জানা যাবে।
প্রযুক্তির দুনিয়ায় ফেসবুকের গতিকে উল্কার গতি বললে ভুল হবে না। রীতিমত যুগের সেরা যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে চোখের পলকে পলকে বদলে যাচ্ছে এর চেহারা। লক্ষকোটি মানুষের বিচরণ এই ফেসবুকের দুনিয়ায়। নিত্যনতুন সব ফিচার তো আছেই। আসছে আরো নতুন কিছু।
এবার আসছি আসল খবরে। চমকে দেবার মত নতুন এক খবর। ফেসবুক যখন লক্ষ কোটি মানুষের নিয়ন্ত্রক দ্রুতগতির ইন্টারনেটের যুগে তখনই হাজির হয়েছে নতুন এই খবর। ফেসবুকের এক গবেষক দলের গবেষণায় প্রাপ্ত খবর বলছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার হুমকিতে রয়েছে ফেসবুক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে!!!

হ্যাঁ, এমনই এক তথ্য দিয়ে চমকে দিয়েছে ফেসবুকের গবেষক দলটি। বিখ্যাত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা “Artificial Intelligence” পদ্ধতি নিয়ে যে গবেষণাটি চলছিল তা থেকে দেখা যায় যে এর সিস্টেম নিজেই নিজের ভাষা কোডিং করে ফেলছে। এবং শুধু তাই নয় কোডিংকৃত ভাষা অনেকটাই আলাদা রকমের। যদিও সেটিও ইংরেজীতেই।
এ যেন সত্যি হয়ে সামনে আসল আরেক প্রযুক্তিবিদ এলোন মাস্কের ভবিষ্যৎ বানীর আদলে। যিনি বলেছিলেন সকলের সতর্ক হওয়া উচিত এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে। নইলে একদিন সময়ের দ্রুততায় এবং প্রযুক্তির গ্রাসে হয়তো নিয়ন্ত্রিত হব আমরাই। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গ এ নিয়ে কিছুটা তাচ্ছিল্যই করেছিলেন সেবেলায়। তবে এখন বোধহয় টনক কিছুটা হলেও নড়েছে।

গবেষনায় এই তথ্যের প্রাপ্তি জুলাই মাসেই। সুত্রপাত হয় তখনই, যখন তুলনামূলক সহজে যোগাযোগে দক্ষতা সম্পূর্ণ প্রাথমিক ভাবে সৃষ্টি দুটি চ্যাটবট, বব ও এলিস নিজেদের মাঝে নিজস্ব ভাষায় যোগাযোগ করতে শুরু করে। হ্যাঁ, এই দুই চ্যাটবটের আলাপই পড়ে ফেলেছেন শুরুতে। আর এদের আলাপের সূত্র ধরেই ভড়কে যায় গবেষক দল। যার ফলশ্রুতিতে থামিয়ে দেয় AI নিয়ে তাদের গবেষণা প্রকল্প।
তবে এই প্রথম নয় প্রযুক্তির এমন অদ্ভুত আচরণ। এলোন মুস্ক তার নিজের ল্যাবেও এরকম কৃত্রিম AI-বটের নিজস্ব ভাষা তৈরির দক্ষতা পরীক্ষা করে দেখে এবং সেখানেও এটি প্রমাণিত হয় যে এরা ভাষা তৈরীতে সক্ষম। এর আগে গুগলের বেলাতেও তৈরী হয়েছিল এমন সক্রিয় AI যা মানুষের উপলদ্ধির বাইরে ছিল। তাই থামতে হয়েছিল তাদেরকেও।












